The Story of the World- What is Archaeology?



আর্কিওলজি কি?
আগের দিনের লোকজনের লিখে যাওয়া বিভিন্ন চিটি বা অন্যান্য লিখা পড়ে আমরা তাদের সম্পর্কে জানতে পারি। কিন্তু এটা ইতিহাস তৈরী করার একটা পদ্ধতি।
অনেক অনেক দিন আগে লোকজন কিভাবে লিখতে হয় তাও জানতো না। তারা একে অন্যেক কাছে চিটি লিখে নি। রাজা মনুমেন্টে কোন গল্প খোদাই করে রাখেনি। যেসব লোক লিখতে জানতো না ইতিহাসবিদরা কিভাবে তাদের সম্পর্কে জানবে?
কল্পনা কর অনেক দিন আগে নদীর পাশে একটি গ্রামে কিছু লোক বাস করত। এই লোকগুলো কিভাবে লিখতে হয় তা জানতো নাতারা তাদের বন্ধুর কাছে কোন চিটি লিখেনি। অথবা তাদের দৈনন্দিন জীবনের কোন ডাইরী নেই। কিন্তু তারা যখন প্রতিদিন তাদের কাজে যেত তখন তারা কিছু জিনিস মাটিতে ফেলে দিত। একজন কৃষক গমের ক্ষেতে কাজ করার সময় লোহার একটি কোদাল হারিয়ে ফেলেছিল। সে এটা আর খুঁজে পায় নি। হারিয়ে যাওয়া কোদালটি আর না খুঁজে সে আরেকটা কোদাল ব্যবহার শুরু করল।
এদিকে বাড়িতে তার স্ত্রী ভুল করে একটি মাটির পট ফেলে দিয়েছে। এটা  ভেঙে টুকরা হয়ে গেছে। সে দীর্ঘশ্বাস ফেলে পটের টুকরাগুলোকে লাথি দিয়ে ঘরের বাইরে ফেলে এসেছে। তার বাচ্চা মাটির ষাঁড় আর গুরুর গাড়ি দিয়ে খেলছিলতার মা তাকে ডাক দিল আর ওমনি সে গরুর গাড়ি আর মাটির ষাঁড়ের কথা ভুলে মায়ের কাছে ছুটল। মা তাকে আবার নতুন খেলনা এনে দিল। উত্তেজনায় সে ষাঁড় আর গরুর গাড়ির কথা ভুলে গেল। পরদিন তার বাবা যাচ্ছে মাঠে কাজ করতে দুর্ঘটনাক্রমে পায়ের লাথি খেয়ে কিছু ময়লা তার গাড়িটার উপর গিয়ে পড়ল। গাড়িটি ময়লার নিচে পড়েই রইল।

দশটি কারণ : কেন মুসলমানদের আরবী শিখা উচিত?



দশটি কারণ : কেন মুসলমানদের আরবী শিখা উচিত?

১. সর্বশক্তিমান এবং সর্বজ্ঞানী মহান আল্লাহ পৃথিবীর বর্তমান, অতীতের অনেক ভাষা থেকে আরবীকে বাছাই করেছেন সমগ্র মানবতার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে। শুধু এ কারণটাই মুসলমানদের আরবী ভাষা জানার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। নিশ্চয়ই আল্লাহ যদি চাইতেন আরবী ভাষা ছাড়া অন্য কোন ভাষায়, এমনকি সকল ভাষায় কুরআন নাযিল করতে পারতেন। কিন্তু তিনি নিজেই কুরাআনে বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই, আমরা কুরআনকে আরবী ভাষায় নাযিল করেছি যাতে তোমরা বুঝতে পার।‘ এই আয়াতটা আরবী ভাষার অনন্য বৈশিষ্ট্যের ইংঙ্গিতবাহী যাতে অন্যান্য সকল ভাষায় চেয়ে আরবী ভাষার শ্রেষ্টত্ব এবং আ্ল্লার কথাগুলোর সঠিক অর্থ অনুধাবনের যোগ্যতা সম্পন্ন এ ভাষা যা অন্য কোন ভাষার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে নেই বস্তুত: আল্লাহ তায়ালাই আরবী ভাষাকে এ অনন্য বৈশিষ্ট্যের এবং অন্যান্য ভাষা থেকে শ্রেষ্টত্বের মর্যাদায় আসিন করেছেন।
২. আপনি যদি আল্লাহকে সমস্ত কিছুর সৃষ্টিকর্তা মনে করেন এবং আল্লাহর মনোনীত সর্বশ্রেষ্ট সৃষ্টি নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) হয় তাহলে প্রত্যেক মুসলমানের কি উচিত নয় আল্লাহ এবং তার নবীর এ ভাষাকে শিক্ষার জন্য , আল্লাহ এবং তার রাসুল কি বলেছেন তা বোঝার জন্য নিজের সমগ্র প্রচেষ্টাকে নিয়োজিত করা? কিভাবে একজন মুসলমান এই ভাষা শিখার জন্য সময় খুজঁবে না যেখানে বিশ্বের অনেক ভাষা শিখা এবং অর্থ উপার্জনের জন্য তার যথেষ্ট সময় থাকে?
৩. বিরাট সংখ্যক পণ্ডিত বিশ্বাস করে কুরআনের রচনাশৈলি, বাগ্মিতা অন্য যে কোন সাহিত্যের তুলনায় অনেক উচু মানের। আরবী ভাষার জ্ঞান না থাকলে স্রষ্টা কতৃক সরাসরি প্রেরিত এই অতুলনীয় সাহিত্য রচনাকৌশলটা থেকে সবসময় নিজেকে বঞ্চিত রাখা হবে।
৪. কুরআন হাদিসের বাইরে আরবী ভাষায় রয়েছে সুবিশাল এবং সমৃদ্ধ ইসলামী সাহিত্যে উত্তরাধিকার। আরবী ভাষায় বিভিন্ন পড়ালেখার রয়েছে বিপুল পরিমান বৃত্তির ব্যবস্থা যা ইসলাম শিক্ষার প্রচার এবং প্রসারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নতির জন্য বরাদ্ধ করা আছে। এ ভাষায় দক্ষ হয়ে না উঠলে এসব থেকে মুসলিম উম্মাহ, মুসলিম ইনিস্টিটিউটগুলো কোন উপকার পাবে না এবং সমৃদ্ধ হবে না। যা পরোক্ষভাবে মুসলিমদের বিপক্ষেই যাবে।
৫. উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইসলামী বিজ্ঞান আরবী ভাষাগত বিজ্ঞান থেকে আহরণ করা যাতে বেশকিছু ভাষাগত ইস্যুর আলোচনা আছে। এসব বুঝার জন্য আরবী ভাষা বিজ্ঞানের উপর ব্যপক দখল থাকা দরকার। এসব বিজ্ঞানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আল-তাফসীর (কোরানের ব্যাখ্যা), 'উলুম আল-কুরআন (কোরান বিজ্ঞান),' ইলমে আল-হাদীছ, আল-ফিকহ (ইসলামী বিধান), আল-আকিদাহ (ইসলামী ধর্মশাস্ত্র)। ইসলামের দু’টি প্রধান উস কুরআন ও হাদীছ আরবী ভাষায় হওয়ার এসবের অর্ন্তনীহিত অর্থ অনুধাবন, সঠিক বার্তা বুঝতে পারা তখনই সম্ভব হবে যখন আরবী ভাষার চর্চা অনেক উন্নত পর্যায়ে থাকবে। ইসলামী বিজ্ঞান চায় এসবের বিস্তারিত বিশ্লেষণ এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ। তাহলেই শুধু কুরআন হাদিছের সঠিক বাস্তবায়ন সম্ভব।
৬. হযরত উমর (রা:) বলেছেন:
‘সুন্নাহ শিখুন এবং আরবী শিখুন। কুরআনকে আরবীতে শিখুন কারণ এটা আরবী ভাষায় রচিত।‘
তিনি আরো বলেছেন:
‘আরবী শিখুন কারণ এটা আপনার ধর্মের একটা অংশ কিভাবে মৃতের সম্পদ বন্টন করতে হবে( আল ফারাইদ) তা বুঝতে আরবীকে জানুন কারণ এটা আপনার ধর্মের অংশ।‘
ইমাম শাফেঈ কুরআনকে বুঝার জন্য বিশ বছর ধরে আরবী শিখেছিলেন (কারণ এটা হচ্ছে বিশুদ্ধ উস)
কিছু কিছু পণ্ডিত আরবী ভাষাকে মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামূলক ভাষা হিসাবে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন। কারণ হিসাবে উল্লেখ করেছেন কুরআন, হাদিসের অধ্যয়ন প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামূলক। যেহেতু কুরআন হাদিস আরবী ভাষার জ্ঞান ছাড়া শিক্ষাকরা সম্ভব নয় সুতরাং আরবী ভাষাও বাধ্যতামূলক করা হউক।
৭. আরবী ভাষার জ্ঞান একজন মুসলিমকে তার ইবাদতকে আবেগময় এবং অর্থবহ করে দেয়। সালাত, কুরআন তেলওয়াত, খুতবা শ্রবনে, দুয়া করার সময় অর্থ বুঝাটা একজন মুসলমানের মধ্যে প্রবল আবেগ সৃষ্টি করতে পারে যা না বুঝে করলে অনেকটা আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হতে পারে। সংক্ষেপে, আরবী জ্ঞান আল্লাহ এবং বান্দার মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারিকে অপ্রয়োজনীয় করে তুলে। অন্য কথায়, আরবী আমাদেরকে কুরআন এবং নবীজীর নির্দেশনাকে সরাসরি শুনতে এবং পালনকরতে সক্ষম করে।
৮. অনুবাদের একটা সমস্যাযুক্ত প্রকৃতি আছে যার কারণেই মুসলিমদের আরবী জানা উচিত। আমাদের অধিকাংশ ঐতিহ্য এখন অনারব মুসলিম জনগণের নিকট অনধিগম্য। দীর্ঘদিন পর্যন্ত তারা সেখানে পৌঁছতে পারবে না। অনুবাদের একটা নিজস্ব ঘাটতি থেকে যায় যা পুরো বিষয়টার স্বাদ নেয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। এটার পরিসীমা নিম্নমান, অগ্রহনযোগ্য, ভুল অনুবাদও হতে পারে।
৯. সংস্কৃতির প্রবাহ হচ্ছে ভাষা। একটি ভাষা তার বক্তাদের উপর অমোচনীয় প্রভাব বিস্তার করে। আরবী ভাষার মধ্যে ইসলামী সংস্কৃতিটা একটা পজিটিভ ভিত্তির উপর বিদ্যমান। নি:সন্দেহে কুরআন সুন্নার একটা স্থায়ী চিহ্ন আরবী ভাষার মধ্যে নীহিত। তাছাড়া দীর্ঘ চৌদ্দশত বছর ধরে আরবী প্রায় অবিকৃতই আছে।
১০. যদি কিছু সংখ্যক অমুসলিম মুসলমানদের জন্য ঘৃণা ছড়ানোর জন্য এবং ইসলামকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নেয়ার জন্য মুসলমানদের উপর আধিপত্য বজায় রাখার জন্য আরবী নিয়ে গবেষণা করতে পারে তাহলে একজন মুসলিম ইসলামকে সমুন্নত রাখার জন্য, তার বিশ্বাসকে (ঈমান) মজবুত করার জন্য , মুসলিম উম্মাহকে এন্টি ইসলামিস্টদের ষড়যন্ত্র, ইসলামফোবিয়া থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য কেন আরবী অধ্যয়ন করবে না?
আমেনুল্লাহ আবদেরইফ এর লেখা অবলম্বনে

The Story of The World - What is History?



The story of the world
History for the classical child
Revised Edition
Volume 1: Ancient Times
From the Earliest Nomads to the Last Roman Empire
Susan Wise Bauer
Illustrated by Jeff West

Peace Hill press
Charles City, VA



                                                             
ভূমিকা

কিভাবে আমরা জানি কি ঘটেছিল?

ইতিহাস কি?

তুমি কি জান কোথায় তোমার জন্ম হয়েছিল? তোমার জন্ম কি হাসপাতালে হয়েছিল নাকি ঘরে? জন্মের সময় তোমার ওজন কত ছিল? তোমার প্রথম জন্মদিনে তুমি কি খেয়েছিলে?
তোমার জন্মের সময়ের কথা তোমার মনে নেই, তাই না? হয়ত তোমার প্রথম জন্মদিনে তুমি কি খেয়েছিলে তাও মনে নেই! তাহলে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমরা কিভাবে পাব?
তুমি তোমার বাবা মাকে জিজ্ঞাসা করতে পার। তারা তোমাকে অনেক দিন আগের কথা যখন তোমার মনে রাখার মত বয়স হয়নি তখন কি ঘটেছিল তা বলতে পারে। যখন তুমি শিশু ছিলে তখনকার গল্পগুলো তারা তোমাকে বলতে পারে।
এই গল্পগুলিই তোমার ‘ইতিহাস’। তোমার জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত তোমার জীবনে যা কিছু ঘটেছে তাই তোমার ইতিহাস। তুমি তোমার বাবা মার কাছে শুনে তোমার ইতিহাস জানতে পার। তোমার জন্মের পর যা ঘটেছিল তা তাদের মনে থাকবে। হয়ত তারা তোমার ছোট বেলার কিছু ছবি অথবা ভিডিও তুলে রেখেছিল। তোমার ইতিহাসের অনেক কিছু তুমি এসব ছবি দেখে জানতে পারবে। তোমার কি চুল ছিল? সেগুলো কি চিকন ছিল নাকি মোটা? তুমি কি হাঁসছিলে নাকি কান্না করছিলে? তুমি কি পড়েছিলে? সে কাপড়গুলোর কথা কি তোমার মনে পড়ে?
তোমার একটি ইতিহাস আছে- তেমনি তোমার বাবা মায়েরও একটি ইতিহাস আছে। তারা কোথায় জন্ম গ্রহণ করেছিল? তারা কি হাসপাতালে জন্ম গ্রহণ করেছিল নাকি বাড়িতে? তার কোন স্কুলে পড়ালেখা করেছিল? তারা কি খেতে পছন্দ করতে? তাদের বেস্ট ফ্রেন্ড কারা ছিল? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তুমি কিভাবে পাবে? তুমি তোমার বাবা মাকে জিজ্ঞাসা করতে পার। যদি তাদের  মনে না থাকে তবে তাদের বাবা মায়ের কাছে জিজ্ঞাসা করতে পার, মানে তোমার দাদা দাদীর কাছে।
এখন কঠিন প্রশ্নটা জিজ্ঞাসা করি।

A Little History of The World

A Little History of The World
By E.H. GOMBRICH

Chapter-1 Once Upon A Time



এক
একদা এক সময়
সবগুলো গল্পই শুরু হয় ‘একদা এক সময়’ দিয়ে। একদা এক সময় যা কিছু ঘটেছিল তা নিয়েই এই গল্প। একসময় তুমি এত ছোট ছিলে যে খুব ছোট একটা কিছুর মধ্যেও তুমি দাড়িঁয়ে যেতে পারতে। তোমার মায়ের হাত পর্যন্তও তুমি পৌছঁতে পারতে না। তোমার কি মনে পড়ে? তোমার নিজের গল্পটা এমন হতে পারে: ‘একদা এক সময় তুমি খুব ছোট্ট একটি ছেলে ছিলে, অথবা একটি মেয়ে- এবং সেই ছোট্ট ছেলেটা আমি।‘ কিন্তু তুমি যখন দোলনার একটি শিশু ছিলে তার পূর্বের কথা কি তোমার মনে পড়ে? তুমি এটা মনে করতে পারবে না কিন্তু তুমি জান যে এটা সত্য ছিল। তোমার বাবা মাও এক সময় ছোট্ট ছিল। এবং অনেক অনেক দিন আগে তোমার দাদা দাদুও। তুমি আরো আগের দিনের কথা ভাবতে পারো। এভাবে যে দিনের কথাই ভাবনা কেন তার পূর্বে আরও কিছু ছিল। তুমি কি কখনও দুটি আয়নার মধ্যে দাড়িঁয়েছিলে। না দাড়িয়ে থাকলে তোমার একবার তা করা দরকার। তুমি দেখতে পেতে তোমার অনেকগুলো ছবি। একটি থেকে অপরটি ছোট, যত দুরে থাকবে তত বেশি ছোট। কিন্তু এর কোন শেষ হবে না।
এবং এটাই হল একদা এক সময়। যার কোন শেষ দেখা যায় না। দাদার দাদার দাদার দাদার দাদার..........মাথা নষ্ট হয়ে যাবে ভাবতে ভাবতে।

The Fire On The Mountain Top


পর্বতে আগুন


 

আফ্রিকার একটি দেশের নাম ইথওপিয়া। সেই ইথওপিয়ার দূরের এক গ্রামে বাস করত আরহা। তার বাবা মা ছিল খুবই দরিদ্র। তারা তাদের সন্তান আরহাকে খাওয়াতে পারত না। গ্রামে তেমন কোন কাজ ছিল না। তাই একদিন আরহা তার জিনিস পত্র গুছিয়ে রাজধানী শহর আদ্দিস আবাবাতে ছুটল কাজের খোঁজে।

শীঘ্রই সে হেমপটন হেসি নামক এক শক্তিশালী লোকের কাছে চাকরি পেয়ে গেল। হেমপটন ছিল খুব ধনী। কিন্তু সে তাতে সন্তুষ্ট ছিল না। টাকা দিয়ে সুখ  ও তৃপ্তি পাওয়া যায় না। সে ছিল খুব বিরক্ত এবং অসন্তুষ্ট। তার কিছু আনন্দের প্রয়োজন ছিল। এতে অন্যের অসুবিধা হলেও হউক। তাতে কিছু যায় আসে না।

এক শীতের রাতে পাহাড় থেকে তীব্র ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল। হেমপটন আরহাকে আদেশ দিল আগুন জ্বালানোর জন্য কিছু কাঠ নিয়ে আসতে।