উত্তম দর কষাকষি

এক ভদ্রলোক সকালে অফিসে যাচ্ছেন। তার হাতে একটি বড় বাঁধানো ছবি। লোকটি একটি দোকানের সামনে গিয়ে বললো,' আপনি কি দয়া করে আমার এ ছবিটি কিছু সময়ের জন্য রাখতে পারেন? আমি বিকালে অফিস থেকে ফেরার পথে নিয়ে যাবো।'
ভদ্রলোকের কথা দোকানদার না করতে পারলো না।
বলল, ' অবশ্যই, এ উপকারটা আমি আপনার জন্য করতে পারি।'

একজন অতৃপ্ত মানুষ

এক্সট্রামাদুরা গ্রামে এক ধনী লোক ছিল। তার মতো ধনী ও গ্রামে আর কেউ ছিল না। তার গরু, মহিষ, ঘোড়া ও আঙ্গুর বাগান ছিল। তার ঘর ছিল অনেক বড় আর সুন্দর। তার আঙ্গুর বাগানে প্রচুর আঙ্গুর ফল ছিল। তার গরু মহিষ ছিল অনেক মোটা মোটা। এক্সট্রামাদুরাতে তার ঘোড়াগুলো ছিল সবচেয়ে সুন্দর।
তার আরো অনেক কিছুই ছিল। তার ভালো একটি বৌ এবং ভালো সন্তান ছিল। মানুষ প্রত‍্যাশা করে এমন সবকিছুই তার ছিল। কিন্তু লোকটি সন্তুষ্ট ছিল না।
সে তার সন্তানের প্রতি সন্তুষ্ট ছিল না, তার স্ত্রীর প্রতি সন্তুষ্ট ছিল না, এমনকি তার স্রষ্টার প্রতি ও সন্তুষ্ট ছিল না।
আবহাওয়ার উপর ও সে ছিল অসন্তুষ্ট।
যদি ঠাণ্ডা পড়ত তখন সে বলতো, ' এত ঠান্ডা! এটা আঙ্গুর বাগানের জন্য ভালো আবহাওয়া নয়।'
যদি বৃষ্টি হতো তাহলে বলতো, ' বাতাসে বেশি আদ্রতা, আমার রোদের প্রয়োজন ছিল।'
আর যখন রোদ হত, তখন ও সে অসন্তুষ্ট হতো।
আজ বেশি গরম, কাল বেশি ঠাণ্ডা, অন‍্যদিন বেশি আদ্র এভাবে বলেই যেত।
একদিন সে তার আঙ্গুর বাগানে ঢুকল। সেখানে ছিল খুব সুন্দর সুন্দর আঙ্গুর। এত বেশি এবং ভালো আঙ্গুর এক্সটামাদুরার কোথাও ছিল না। কিন্তু এতেও সে সন্তুষ্ট ছিল না।
সে বলল আঙ্গুরগুলো খুব ছোট ছোট। আবহাওয়া খারাপ ছিল। কখনো বেশি ঠাণ্ডা, কখনো বেশি গরম।
ঠিক সেই সময় আঙ্গুর বাগানে খুব সুন্দর এবং লম্বা একটা লোক আসলো। সে লোকটি বলল, ' তুমি কখনও আবহাওয়া নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেনা। কখনো গরম, কখনো ঠাণ্ডা, কখনো আদ্র, কখনো শুষ্ক। তুমি কি নিজের মনের মতো করে আবহাওয়াকে তৈরি করে নিতে পারবে?
'হ‍্যাঁ, পারবো', ধনী লোকটি উত্তর দিল।  আমি সঠিক ভাবে আবহাওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো।
'ঠিক আছে।' বলল আগুন্তক। এই বছর তুমি তোমার মনের মতো করে আবহাওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
এটা বলে আগুন্তক অদৃশ্য হয়ে গেল।
দেখতে দেখতে পরবর্তী বছর চলে আসলো। মার্চ মাস। ধনী লোকটি বলল, 'এখন আমার তুষার দরকার'। সাথে সাথে বরফ পড়া শুরু হলো। তারপর আসল এপ্রিল। এখন আমার বৃষ্টি প্রয়োজন। শুরু হলো বৃষ্টি। খুব চমৎকার। বলল ধনী লোকটি।
এরপর তার চাহিদা মত গরম আসলো। লোকটি যখন যা চাইছিল তাই হচ্ছিলো। লোকটি এখন তার আঙ্গুর বাগান আর আবহাওয়া দুটোর প্রতি সন্তুষ্ট।
তার বাগানের আঙ্গুর এখন সবচেয়ে সুন্দর। লোকটি বলল আমার বাগানের আঙ্গুর এখন এক্সটামাদুরার সেরা আঙ্গুর। এত সুন্দর ফল সে আর কখনও দেখেনি।
অবশেষে বসন্ত আসলো ফল কাটার সময় শুরু হলো। লোকটি বাগানের কয়েকটি আঙ্গুর ফল খেয়ে দেখল।
'একি! এ যেন ভিনেগারের মত টক!'
'এত টক আঙ্গুর ফল আমি জীবনেও দেখিনি।'
ঠিক সেই মুহূর্তে আগের সে আগুন্তক এসে হাজির হলো।
'এ বছর তুমি তোমার মনের মতো করে আবহাওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করেছো। তোমার আঙ্গুরের কি খবর?' বলল আগুন্তক।
'খারাপ, খুব খারাপ!' মন খারাপ করে লোকটি উত্তর দিল।
'আঙ্গুরগুলো ভিনেগারের চেয়েও বেশি টক।'
এবার আগুন্তক বলল। আমি বুঝতে পেরেছি।
তুমি তোমার আঙ্গুর বাগানে সঠিক সময়ে ঠাণ্ডা, বৃষ্টি, রোদ, আদ্রতা সব সরবরাহ করেছিলে। কিন্তু তুমি বাতাসের কথা ভুলে গিয়েছিলে।

মুরগির গল্প

একদিন এক মুরগির বাচ্চা হাঁটতে হাঁটতে জংগলে চলে গেল। জংগলে তার মাথার ওপর একটি ওক গাছের ফল পড়ল। বেচারা মুরগির বাচ্চা বলল, 'আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো!' আমি যাই রাজাকে খবরটা দিয়ে আসি। এই বলে সে হাঁটতে শুরু করল।
পথে তার সাথে একটা মুরগির দেখা হলো।
মুরগিটি বাচ্চা মুরগিকে জিজ্ঞাসা করল, ' তুমি কোথায় যাচ্ছো?
মুরগির বাচ্চা বলল, 'ওহ! আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। রাজার কাছে যাচ্ছি খবরটা দিতে।'
মুরগি বলল, ' তুমি যদি চাও আমাকে ও নিয়ে যেতে পারো।
ঠিক আছে চল। এবার দুজনেই আবার হাঁটতে শুরু করল।
পথে যেতে যেতে দেখা হলো এক হাঁসের সাথে।
হাঁসটি মুরগিকে জিজ্ঞাসা করল,' তোমরা কোথায় যাচ্ছো?'
মুরগি উত্তর দিল, ' বেচারা বাচ্চা মুরগিটার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। আমরা খবরটা দিতে রাজার কাছে যাচ্ছি।'
হাঁস বলল, 'তোমরা যদি চাও তাহলে আমাকেও তোমাদের সাথে নিয়ে যেতে পারো।'
ঠিক আছে চল। মুরগির বাচ্চা, মুরগি, হাঁস একসাথে চলতে শুরু করল।
পথে যেতে যেতে তাদের সাথে দেখা হলো এক টার্কির।
টার্কি হাঁসকে জিজ্ঞাসা করল, ' তোমরা সবাই মিলে কোথায় যাচ্ছো?'
হাঁস উত্তর দিল, ' ওহ! বেচারা মুরগির বাচ্চার মাথার উপর আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। আমরা যাচ্ছি রাজাকে খবরটা দিতে।'
ও আচ্ছা, বলল টার্কি মাথা দুলিয়ে। 'তোমরা যদি চাও তাহলে আমাকেও তোমাদের সাথে নিয়ে যেতে পারো।
ঠিক আছে চল। এবার মুরগির বাচ্চা, মুরগি, হাঁস, টার্কি একসাথে দল বেঁধে চলতে শুরু করল।
যেতে যেতে দেখা হলো এক রাজ হাঁসের সাথে।
রাজহাঁস এত বড় দল হাঁটতে দেখে বলল, ' তোমরা সবাই মিলে কোথায় যাচ্ছো?'
টার্কি বলল, ' মুরগির বাচ্চার মাথার উপর আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। আমরা যাচ্ছি রাজাকে খবরটা দিতে।'
ও আচ্ছা, বলল রাজহাঁস। তোমরা যদি চাও তাহলে আমাকেও তোমাদের সাথে নিয়ে যেতে পারো।'
ঠিক আছে চল। এবার মুরগির বাচ্চা, মুরগি, হাঁস, টার্কি, রাজহাঁস একসাথে চলতে শুরু করল। বেচারা পশুরা রাজাকে খবরটা দিতে যাচ্ছে। কিন্তু তারা কেউ রাজা কোথায় থাকে তা জানতো না।
এবার তাদের সাথে দেখা হলো এক শেয়ালের। শেয়ার বলল তোমরা কোথায় যাচ্ছো? রাজহাঁস বলল,' মুরগির বাচ্চার মাথার উপর আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে। আমরা যাচ্ছি রাজাকে খবরটা দিতে।'
শেয়ার একটু ভেবে বলল, ' চল আমি তোমাদের রাজার কাছে নিয়ে যাব।'
তারা খুশিমনে শেয়ালের পিছনে পিছনে হাঁটতে লাগলো। শেয়ার তাদের সাথে মিথ্যা কথা বলেছিল। সে তাদেরকে তার গুহায় নিয়ে গেল। তারপর শেয়াল এবং তার বাচ্চারা মিলে মুরগির বাচ্চা, মুরগি, হাঁস, রাজহাঁস, টার্কি সহ সবাইকে মজা করে খেয়ে ফেলল।
বেচারা মুরগির বাচ্চা, তার মাথার উপর আকাশ ভেঙ্গে পড়েছে, এ খবরটি আর রাজাকে দিতে পারল না।

This story is taken from
Project Gutenberg's An Elementary Spanish Reader, by Earl Stanley Harrison
Name of the story: El cuento del Pollo

পর্বতের গল্প


ছেলে  আর বাবা পর্বতের উপর দিয়ে হাঁটছিল। হঠাৎ ছেলে পড়ে গেল। প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে চিৎকার করে উঠল। আহঃ।
তাকে অবাক করে দিয়ে পর্বত ও আহঃ বলে উঠলো।
ছেলে অবাক হয়ে বলে উঠলো। তুমি কে?
সাথে সাথে পর্বতের কোথাও থেকে বলল। তুমি কে?
তারপর সে চিৎকার করে পর্বতকে বলল, 'আমি তোমার প্রশংসা করি।'
পর্বত ও সাথে সাথে উত্তর দিল, 'আমি তোমার প্রশংসা করি।'
উত্তর পেয়ে রাগান্বিত হয়ে ছেলেটি চিৎকার করে বলল, 'কাপুরুষ'।
পর্বত ও বলল, 'কাপুরুষ।'
এবার সে তার বাবাকে বলল, 'এসব কি হচ্ছে?'
বাবা ছেলের কথা শুনে একটু হাসলো এবং বলল, 'মনোযোগ দিয়ে শুনো বাবা'।
বলে এবার তিনি উচ্চস্বরে বললেন,' তুমি চ‍্যাম্পিয়ন'।
সাথে সাথে পর্বত বলে উঠলো, ' তুমি চ‍্যাম্পিয়ন'।
ছেলেটি অবাক হলো, কিন্তু কিছুই বুঝতে পারলো না।
এবার বাবা বলল, ' এটাকে মানুষ প্রতিধ্বনি বলে। কিন্তু এটাই বাস্তব জীবন।'
এ জীবনে তুমি যা কিছু করবে বা বলবে তা তোমার কাছেই ফিরে আসবে। আমাদের জীবনটা   শুধুমাত্র আমাদের কাজের প্রতিফলন।
যদি তুমি পৃথিবীতে অনেক ভালোবাসা পেতে চাও, তাহলে তোমার হৃদয়ের মধ্যে অনেক ভালোবাসা তৈরি করা।
যদি তুমি তোমার দলকে অনেক কর্মদক্ষতা সম্পন্ন দেখতে চাও, তাহলে তোমার নিজের মধ্যে আগে কর্মদক্ষতা তৈরি কর।
এ সম্পর্কটা সব জায়গাতেই প্রযোজ‍্য , জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে।
তুমি যাকিছু কর, তোমার জীবনে তা কোন না কোনভাবে ফিরে আসবেই।

জীবনটা কাকতালীয় কোন ব্যাপার নয়। এটা তোমার কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন।

৩১

আর একা নয়

তোমাদের একটি গোপন কথা বলি। যখন আমি তোমাদের মতো ছোট্ট ছিলাম, আমি প্রায় খুব একাকী অনুভব করতাম। মাঝেমধ্যে খেলার জন‍্য আমি কোনো বন্ধু পেতাম না। আমার মনে হতো কেউ আমার প্রতি কোনো খেয়াল করছে না।
বড়রা এখন এত ব‍্যস্থ যে তাদের অনেকেই তাদের ছোটবেলার এই একাকীত্বের কথা ভুলে গেছেন। কিন্তু আমি ভুলিনি এখনো।

আমাদের গল্পের কাঠবেড়ালী চেস্টনাট ও একাকী অনুভব করতো। কিন্তু একদিন এমন কী ঘটেছিল তা তার চোখ খুলে দিয়েছিল.....

তোমাদের বন্ধু
ওয়ালডু

একদিন সকালে চেস্টনাট স্বাভাবিকের চাইতে বেশিক্ষণ ঘুমিয়ে রইল। তার কিছুতেই ঘুম থেকে উঠতে ইচ্ছে করছিল না। আসলে ঘুম থেকে উঠে তার কোন কাজও নেই। সবচেয়ে ভয়ংকর  ব্যপারটা হলো তার কোন খেলার বন্ধু নেই।
'আমার আরেকটু ঘুমিয়ে থাকাই ভালো।' মনে মনে ভাবলো চেস্টনাট। হঠাৎ সারা ঘরটাই প্রচন্ডভাবে কেঁপে উঠলো।

'ভূমিকম্প!' লাফ দিয়ে উঠতে উঠতে ভাবলো চেস্টনাট।

The Story of the World- What is Archaeology?



আর্কিওলজি কি?
আগের দিনের লোকজনের লিখে যাওয়া বিভিন্ন চিটি বা অন্যান্য লিখা পড়ে আমরা তাদের সম্পর্কে জানতে পারি। কিন্তু এটা ইতিহাস তৈরী করার একটা পদ্ধতি।
অনেক অনেক দিন আগে লোকজন কিভাবে লিখতে হয় তাও জানতো না। তারা একে অন্যেক কাছে চিটি লিখে নি। রাজা মনুমেন্টে কোন গল্প খোদাই করে রাখেনি। যেসব লোক লিখতে জানতো না ইতিহাসবিদরা কিভাবে তাদের সম্পর্কে জানবে?
কল্পনা কর অনেক দিন আগে নদীর পাশে একটি গ্রামে কিছু লোক বাস করত। এই লোকগুলো কিভাবে লিখতে হয় তা জানতো নাতারা তাদের বন্ধুর কাছে কোন চিটি লিখেনি। অথবা তাদের দৈনন্দিন জীবনের কোন ডাইরী নেই। কিন্তু তারা যখন প্রতিদিন তাদের কাজে যেত তখন তারা কিছু জিনিস মাটিতে ফেলে দিত। একজন কৃষক গমের ক্ষেতে কাজ করার সময় লোহার একটি কোদাল হারিয়ে ফেলেছিল। সে এটা আর খুঁজে পায় নি। হারিয়ে যাওয়া কোদালটি আর না খুঁজে সে আরেকটা কোদাল ব্যবহার শুরু করল।
এদিকে বাড়িতে তার স্ত্রী ভুল করে একটি মাটির পট ফেলে দিয়েছে। এটা  ভেঙে টুকরা হয়ে গেছে। সে দীর্ঘশ্বাস ফেলে পটের টুকরাগুলোকে লাথি দিয়ে ঘরের বাইরে ফেলে এসেছে। তার বাচ্চা মাটির ষাঁড় আর গুরুর গাড়ি দিয়ে খেলছিলতার মা তাকে ডাক দিল আর ওমনি সে গরুর গাড়ি আর মাটির ষাঁড়ের কথা ভুলে মায়ের কাছে ছুটল। মা তাকে আবার নতুন খেলনা এনে দিল। উত্তেজনায় সে ষাঁড় আর গরুর গাড়ির কথা ভুলে গেল। পরদিন তার বাবা যাচ্ছে মাঠে কাজ করতে দুর্ঘটনাক্রমে পায়ের লাথি খেয়ে কিছু ময়লা তার গাড়িটার উপর গিয়ে পড়ল। গাড়িটি ময়লার নিচে পড়েই রইল।

দশটি কারণ : কেন মুসলমানদের আরবী শিখা উচিত?



দশটি কারণ : কেন মুসলমানদের আরবী শিখা উচিত?

১. সর্বশক্তিমান এবং সর্বজ্ঞানী মহান আল্লাহ পৃথিবীর বর্তমান, অতীতের অনেক ভাষা থেকে আরবীকে বাছাই করেছেন সমগ্র মানবতার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসাবে। শুধু এ কারণটাই মুসলমানদের আরবী ভাষা জানার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। নিশ্চয়ই আল্লাহ যদি চাইতেন আরবী ভাষা ছাড়া অন্য কোন ভাষায়, এমনকি সকল ভাষায় কুরআন নাযিল করতে পারতেন। কিন্তু তিনি নিজেই কুরাআনে বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই, আমরা কুরআনকে আরবী ভাষায় নাযিল করেছি যাতে তোমরা বুঝতে পার।‘ এই আয়াতটা আরবী ভাষার অনন্য বৈশিষ্ট্যের ইংঙ্গিতবাহী যাতে অন্যান্য সকল ভাষায় চেয়ে আরবী ভাষার শ্রেষ্টত্ব এবং আ্ল্লার কথাগুলোর সঠিক অর্থ অনুধাবনের যোগ্যতা সম্পন্ন এ ভাষা যা অন্য কোন ভাষার বৈশিষ্ট্যের মধ্যে নেই বস্তুত: আল্লাহ তায়ালাই আরবী ভাষাকে এ অনন্য বৈশিষ্ট্যের এবং অন্যান্য ভাষা থেকে শ্রেষ্টত্বের মর্যাদায় আসিন করেছেন।
২. আপনি যদি আল্লাহকে সমস্ত কিছুর সৃষ্টিকর্তা মনে করেন এবং আল্লাহর মনোনীত সর্বশ্রেষ্ট সৃষ্টি নবী হযরত মুহাম্মদ (স:) হয় তাহলে প্রত্যেক মুসলমানের কি উচিত নয় আল্লাহ এবং তার নবীর এ ভাষাকে শিক্ষার জন্য , আল্লাহ এবং তার রাসুল কি বলেছেন তা বোঝার জন্য নিজের সমগ্র প্রচেষ্টাকে নিয়োজিত করা? কিভাবে একজন মুসলমান এই ভাষা শিখার জন্য সময় খুজঁবে না যেখানে বিশ্বের অনেক ভাষা শিখা এবং অর্থ উপার্জনের জন্য তার যথেষ্ট সময় থাকে?
৩. বিরাট সংখ্যক পণ্ডিত বিশ্বাস করে কুরআনের রচনাশৈলি, বাগ্মিতা অন্য যে কোন সাহিত্যের তুলনায় অনেক উচু মানের। আরবী ভাষার জ্ঞান না থাকলে স্রষ্টা কতৃক সরাসরি প্রেরিত এই অতুলনীয় সাহিত্য রচনাকৌশলটা থেকে সবসময় নিজেকে বঞ্চিত রাখা হবে।
৪. কুরআন হাদিসের বাইরে আরবী ভাষায় রয়েছে সুবিশাল এবং সমৃদ্ধ ইসলামী সাহিত্যে উত্তরাধিকার। আরবী ভাষায় বিভিন্ন পড়ালেখার রয়েছে বিপুল পরিমান বৃত্তির ব্যবস্থা যা ইসলাম শিক্ষার প্রচার এবং প্রসারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নতির জন্য বরাদ্ধ করা আছে। এ ভাষায় দক্ষ হয়ে না উঠলে এসব থেকে মুসলিম উম্মাহ, মুসলিম ইনিস্টিটিউটগুলো কোন উপকার পাবে না এবং সমৃদ্ধ হবে না। যা পরোক্ষভাবে মুসলিমদের বিপক্ষেই যাবে।
৫. উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইসলামী বিজ্ঞান আরবী ভাষাগত বিজ্ঞান থেকে আহরণ করা যাতে বেশকিছু ভাষাগত ইস্যুর আলোচনা আছে। এসব বুঝার জন্য আরবী ভাষা বিজ্ঞানের উপর ব্যপক দখল থাকা দরকার। এসব বিজ্ঞানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল আল-তাফসীর (কোরানের ব্যাখ্যা), 'উলুম আল-কুরআন (কোরান বিজ্ঞান),' ইলমে আল-হাদীছ, আল-ফিকহ (ইসলামী বিধান), আল-আকিদাহ (ইসলামী ধর্মশাস্ত্র)। ইসলামের দু’টি প্রধান উস কুরআন ও হাদীছ আরবী ভাষায় হওয়ার এসবের অর্ন্তনীহিত অর্থ অনুধাবন, সঠিক বার্তা বুঝতে পারা তখনই সম্ভব হবে যখন আরবী ভাষার চর্চা অনেক উন্নত পর্যায়ে থাকবে। ইসলামী বিজ্ঞান চায় এসবের বিস্তারিত বিশ্লেষণ এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণ। তাহলেই শুধু কুরআন হাদিছের সঠিক বাস্তবায়ন সম্ভব।
৬. হযরত উমর (রা:) বলেছেন:
‘সুন্নাহ শিখুন এবং আরবী শিখুন। কুরআনকে আরবীতে শিখুন কারণ এটা আরবী ভাষায় রচিত।‘
তিনি আরো বলেছেন:
‘আরবী শিখুন কারণ এটা আপনার ধর্মের একটা অংশ কিভাবে মৃতের সম্পদ বন্টন করতে হবে( আল ফারাইদ) তা বুঝতে আরবীকে জানুন কারণ এটা আপনার ধর্মের অংশ।‘
ইমাম শাফেঈ কুরআনকে বুঝার জন্য বিশ বছর ধরে আরবী শিখেছিলেন (কারণ এটা হচ্ছে বিশুদ্ধ উস)
কিছু কিছু পণ্ডিত আরবী ভাষাকে মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামূলক ভাষা হিসাবে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন। কারণ হিসাবে উল্লেখ করেছেন কুরআন, হাদিসের অধ্যয়ন প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য বাধ্যতামূলক। যেহেতু কুরআন হাদিস আরবী ভাষার জ্ঞান ছাড়া শিক্ষাকরা সম্ভব নয় সুতরাং আরবী ভাষাও বাধ্যতামূলক করা হউক।
৭. আরবী ভাষার জ্ঞান একজন মুসলিমকে তার ইবাদতকে আবেগময় এবং অর্থবহ করে দেয়। সালাত, কুরআন তেলওয়াত, খুতবা শ্রবনে, দুয়া করার সময় অর্থ বুঝাটা একজন মুসলমানের মধ্যে প্রবল আবেগ সৃষ্টি করতে পারে যা না বুঝে করলে অনেকটা আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত হতে পারে। সংক্ষেপে, আরবী জ্ঞান আল্লাহ এবং বান্দার মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারিকে অপ্রয়োজনীয় করে তুলে। অন্য কথায়, আরবী আমাদেরকে কুরআন এবং নবীজীর নির্দেশনাকে সরাসরি শুনতে এবং পালনকরতে সক্ষম করে।
৮. অনুবাদের একটা সমস্যাযুক্ত প্রকৃতি আছে যার কারণেই মুসলিমদের আরবী জানা উচিত। আমাদের অধিকাংশ ঐতিহ্য এখন অনারব মুসলিম জনগণের নিকট অনধিগম্য। দীর্ঘদিন পর্যন্ত তারা সেখানে পৌঁছতে পারবে না। অনুবাদের একটা নিজস্ব ঘাটতি থেকে যায় যা পুরো বিষয়টার স্বাদ নেয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। এটার পরিসীমা নিম্নমান, অগ্রহনযোগ্য, ভুল অনুবাদও হতে পারে।
৯. সংস্কৃতির প্রবাহ হচ্ছে ভাষা। একটি ভাষা তার বক্তাদের উপর অমোচনীয় প্রভাব বিস্তার করে। আরবী ভাষার মধ্যে ইসলামী সংস্কৃতিটা একটা পজিটিভ ভিত্তির উপর বিদ্যমান। নি:সন্দেহে কুরআন সুন্নার একটা স্থায়ী চিহ্ন আরবী ভাষার মধ্যে নীহিত। তাছাড়া দীর্ঘ চৌদ্দশত বছর ধরে আরবী প্রায় অবিকৃতই আছে।
১০. যদি কিছু সংখ্যক অমুসলিম মুসলমানদের জন্য ঘৃণা ছড়ানোর জন্য এবং ইসলামকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নেয়ার জন্য মুসলমানদের উপর আধিপত্য বজায় রাখার জন্য আরবী নিয়ে গবেষণা করতে পারে তাহলে একজন মুসলিম ইসলামকে সমুন্নত রাখার জন্য, তার বিশ্বাসকে (ঈমান) মজবুত করার জন্য , মুসলিম উম্মাহকে এন্টি ইসলামিস্টদের ষড়যন্ত্র, ইসলামফোবিয়া থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য কেন আরবী অধ্যয়ন করবে না?
আমেনুল্লাহ আবদেরইফ এর লেখা অবলম্বনে

The Story of The World - What is History?



The story of the world
History for the classical child
Revised Edition
Volume 1: Ancient Times
From the Earliest Nomads to the Last Roman Empire
Susan Wise Bauer
Illustrated by Jeff West

Peace Hill press
Charles City, VA



                                                             
ভূমিকা

কিভাবে আমরা জানি কি ঘটেছিল?

ইতিহাস কি?

তুমি কি জান কোথায় তোমার জন্ম হয়েছিল? তোমার জন্ম কি হাসপাতালে হয়েছিল নাকি ঘরে? জন্মের সময় তোমার ওজন কত ছিল? তোমার প্রথম জন্মদিনে তুমি কি খেয়েছিলে?
তোমার জন্মের সময়ের কথা তোমার মনে নেই, তাই না? হয়ত তোমার প্রথম জন্মদিনে তুমি কি খেয়েছিলে তাও মনে নেই! তাহলে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর আমরা কিভাবে পাব?
তুমি তোমার বাবা মাকে জিজ্ঞাসা করতে পার। তারা তোমাকে অনেক দিন আগের কথা যখন তোমার মনে রাখার মত বয়স হয়নি তখন কি ঘটেছিল তা বলতে পারে। যখন তুমি শিশু ছিলে তখনকার গল্পগুলো তারা তোমাকে বলতে পারে।
এই গল্পগুলিই তোমার ‘ইতিহাস’। তোমার জন্মের পর থেকে আজ পর্যন্ত তোমার জীবনে যা কিছু ঘটেছে তাই তোমার ইতিহাস। তুমি তোমার বাবা মার কাছে শুনে তোমার ইতিহাস জানতে পার। তোমার জন্মের পর যা ঘটেছিল তা তাদের মনে থাকবে। হয়ত তারা তোমার ছোট বেলার কিছু ছবি অথবা ভিডিও তুলে রেখেছিল। তোমার ইতিহাসের অনেক কিছু তুমি এসব ছবি দেখে জানতে পারবে। তোমার কি চুল ছিল? সেগুলো কি চিকন ছিল নাকি মোটা? তুমি কি হাঁসছিলে নাকি কান্না করছিলে? তুমি কি পড়েছিলে? সে কাপড়গুলোর কথা কি তোমার মনে পড়ে?
তোমার একটি ইতিহাস আছে- তেমনি তোমার বাবা মায়েরও একটি ইতিহাস আছে। তারা কোথায় জন্ম গ্রহণ করেছিল? তারা কি হাসপাতালে জন্ম গ্রহণ করেছিল নাকি বাড়িতে? তার কোন স্কুলে পড়ালেখা করেছিল? তারা কি খেতে পছন্দ করতে? তাদের বেস্ট ফ্রেন্ড কারা ছিল? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর তুমি কিভাবে পাবে? তুমি তোমার বাবা মাকে জিজ্ঞাসা করতে পার। যদি তাদের  মনে না থাকে তবে তাদের বাবা মায়ের কাছে জিজ্ঞাসা করতে পার, মানে তোমার দাদা দাদীর কাছে।
এখন কঠিন প্রশ্নটা জিজ্ঞাসা করি।

A Little History of The World

A Little History of The World
By E.H. GOMBRICH

Chapter-1 Once Upon A Time



এক
একদা এক সময়
সবগুলো গল্পই শুরু হয় ‘একদা এক সময়’ দিয়ে। একদা এক সময় যা কিছু ঘটেছিল তা নিয়েই এই গল্প। একসময় তুমি এত ছোট ছিলে যে খুব ছোট একটা কিছুর মধ্যেও তুমি দাড়িঁয়ে যেতে পারতে। তোমার মায়ের হাত পর্যন্তও তুমি পৌছঁতে পারতে না। তোমার কি মনে পড়ে? তোমার নিজের গল্পটা এমন হতে পারে: ‘একদা এক সময় তুমি খুব ছোট্ট একটি ছেলে ছিলে, অথবা একটি মেয়ে- এবং সেই ছোট্ট ছেলেটা আমি।‘ কিন্তু তুমি যখন দোলনার একটি শিশু ছিলে তার পূর্বের কথা কি তোমার মনে পড়ে? তুমি এটা মনে করতে পারবে না কিন্তু তুমি জান যে এটা সত্য ছিল। তোমার বাবা মাও এক সময় ছোট্ট ছিল। এবং অনেক অনেক দিন আগে তোমার দাদা দাদুও। তুমি আরো আগের দিনের কথা ভাবতে পারো। এভাবে যে দিনের কথাই ভাবনা কেন তার পূর্বে আরও কিছু ছিল। তুমি কি কখনও দুটি আয়নার মধ্যে দাড়িঁয়েছিলে। না দাড়িয়ে থাকলে তোমার একবার তা করা দরকার। তুমি দেখতে পেতে তোমার অনেকগুলো ছবি। একটি থেকে অপরটি ছোট, যত দুরে থাকবে তত বেশি ছোট। কিন্তু এর কোন শেষ হবে না।
এবং এটাই হল একদা এক সময়। যার কোন শেষ দেখা যায় না। দাদার দাদার দাদার দাদার দাদার..........মাথা নষ্ট হয়ে যাবে ভাবতে ভাবতে।

The Fire On The Mountain Top


পর্বতে আগুন


 

আফ্রিকার একটি দেশের নাম ইথওপিয়া। সেই ইথওপিয়ার দূরের এক গ্রামে বাস করত আরহা। তার বাবা মা ছিল খুবই দরিদ্র। তারা তাদের সন্তান আরহাকে খাওয়াতে পারত না। গ্রামে তেমন কোন কাজ ছিল না। তাই একদিন আরহা তার জিনিস পত্র গুছিয়ে রাজধানী শহর আদ্দিস আবাবাতে ছুটল কাজের খোঁজে।

শীঘ্রই সে হেমপটন হেসি নামক এক শক্তিশালী লোকের কাছে চাকরি পেয়ে গেল। হেমপটন ছিল খুব ধনী। কিন্তু সে তাতে সন্তুষ্ট ছিল না। টাকা দিয়ে সুখ  ও তৃপ্তি পাওয়া যায় না। সে ছিল খুব বিরক্ত এবং অসন্তুষ্ট। তার কিছু আনন্দের প্রয়োজন ছিল। এতে অন্যের অসুবিধা হলেও হউক। তাতে কিছু যায় আসে না।

এক শীতের রাতে পাহাড় থেকে তীব্র ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল। হেমপটন আরহাকে আদেশ দিল আগুন জ্বালানোর জন্য কিছু কাঠ নিয়ে আসতে।

The wise men of Gotham


The wise men of Gotham


Retold from ‘ The merry tales of the men of Gotham’

 

গোথামের জ্ঞানীরা

অনেক অনেক দিন আগে, নটিংহামের একটি গ্রাম গোথাম। এখানকার লোকেরা তাদের বোকামির জন্য বিখ্যাত ছিল। তারা যা কিছুই করত তাই বোকামিতে পূর্ণ ছিল। সারাবিশ্ব তাদের এই বোকামির জন্য হাসি ঠাট্টা করত। এসব বোকামির কারণে তারা ‘গোথামের জ্ঞানী’ বলে পরিচিত হয়েছিল।

তাদের বোকামির একটা গল্প বলি।

গোথামের এক লোক বাজারে যাচ্ছে ভেড়া কিনতে। নটিংহাম ব্রিজের উপর তার সাথে দেখা আরেক লোকের। লোকটি বাজার থেকে ভেড়া কিনে ফিরছিল।

‘কি খবর!’ একে অপরকে জিজ্ঞাসা করল।

‘কোথায় যাচ্ছ তুমি?’ বাজার থেকে যে ফিরছিল সে জিজ্ঞাসা করল।

‘নটিংহাম মার্কেটে। ভেড়া কিনব।‘ লোকটি উত্তর দিল।

‘ভেড়া কিনতে!’ অবাক হল লোকটি। একটু চিন্তা করল।

তারপর বলল, ‘কিন্তু আমাকে বলত, কোন পথ দিয়ে তুমি বাড়ি ফিরবে?’

‘কেন? এই ব্রিজের উপর দিয়েই।‘ যে বাজারে যাচ্ছিল সে উত্তর দিল।

Robinson Crusoe-04

Robinson Crusoe-04

Great Stories in easy English
Robinson Crusoe
Daniel Defoe
Abridged and simplified by

S.E. PACES

অধ্যায়-০৪

দশ মাস যাবৎ আমি দ্বীপে অবস্থান করছিলাম। একদিন আমার গায়ে জ্বর আসল। আবহাওয়া ছিল গরম কিন্তু আমি ঠান্ডায় কাঁপছিলাম। আমি এত দূর্বল ছিলাম যে খাবারের জন্য বেরুতে পারছিলাম না। আমাকে সাহায্য করার মতও কেউ নেই। আর আমার কোন ওষুধও নেই। আমি এত ক্ষীণ ও দূর্বল হয়ে পড়েছিলাম যে, আমার মনে হচ্ছিল আমি হয়ত মারা যাব। যা হউক আমি মারা যাইনি। আস্তে আস্তে আমি আবার আমার শক্তি ফিরে পাই। আমাকে আবার সুস্থ করার জন্য সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানাই।

যখন আমি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে পড়লাম আমি সিদ্ধান্ত নিলাম যে দ্বীপের বাকী অংশটাও আমি দেখে নেব। আমি ছোট একটি খাল অনুসরণ করলাম যেখানে আমার প্রথমে মালপত্র নামিয়েছিলাম। কিছুদুর গিয়ে আমি কিছু পাহাড়ি আঁখ দেখলাম। সেখানে আমি কিছু আঙুরও পেলাম। বেশ কিছু আমি খেয়ে নিলাম। আর কিছু আমি আমার ঝুড়িতে নিলাম। আমি চিন্তা করলাম এগুলো শুকিয়ে নেব। আমি জানি আঙুর শুকাল কিসমিস হয়ে যায়। আর এগুলো খুব ভালো খাবার।

সে রাতে আমি একটি গাছে ঘুমালাম।
পরদিন আমি আবার যাত্রা শুরু করলাম। বেশ সুন্দর একটা স্থান আমি পেয়ে গেলাম। সেখানে কিছু কমলা এবং লেবু গাছ দেখতে পেলাম। চারদিকে উজ্জল ফুল ফুটে আছে। এখানে সেখানে নানা রঙের পাখি উড়ে বেড়াচ্ছিল। এত সুন্দর দৃশ্য দেখে আমার মন ভরে গেল। আমি নিজেকে এই দ্বীপের রাজা ভাবতে শুরু করলাম। অবশ্য আমি এই দ্বীপটির রাজাই ছিলাম। তারপর আমার দু:খের কথাটা মনে হলো। আমি এখানে একেবারে একা। এখানে কেউ নেই যার সাথে আমি আমার সুখ ভাগ করতে পারি।


তিন দিন ভ্রমণ করার পর আমি আমার তাবুতে ফেরার চিন্তা করলাম।